Sunday, June 20, 2021

কেউ যদি মঙ্গলের আশায় অমঙ্গলকে আলিঙ্গন করে তাতে দোষের কিছুই নেই ...😊😊 

Monday, September 30, 2019

জাতিসংঘে দেওয়া ইমরান খানের বক্তব্য বাংলা অনুবাদ

  •  👌ইসলামি জঙ্গিবাদ উগ্রবাদ বলতে কোন শব্দ নাই। ইসলাম একটাই আর সেটা হলো ১৪০০ বছর পূর্বে মোহাম্মদ সাঃ শিখিয়ে গেছেন। পশ্চিমারা সন্ত্রাসীদের ইসলামের সাথে যুক্ত করে ইসলামকে অপমান করছে। আমাদের মুসলমানদের দায়িত্ব সঠিক ইসলামের বানী প্রচার করা যাতে পশ্চিমারা আমাদের ইসলাম ও প্রাণের নবী মোহাম্মদ সাঃ সম্পর্কে মিথ্যা প্রচার না করতে পারে। 



  •  😢ইজরাইল জবরদস্তি করে ফিলিস্তিনিদের হত্যা করে তাদের ভূমি দখল করেছে, জাতিসংঘ তামাশা দেখছে। 😥মিয়ানমার জবরদস্তি করে রোহিঙ্গাদের গনহত্যা করে বিতাড়িত করেছে, কিন্তু জাতিসংঘ কিচ্ছু করে নাই। 🤬



  • খবরদার ভারত যদি একই কাজ কাশ্মীরে করতে চায়, পরিনতি হবে ভয়াবহ। পাকিস্তান জানে ভারত তার থেকে ৫ গুণ বড় তারপরেও পাকিস্তান শেষ রক্তবিন্দু দিয়েও লড়াই করবে। 



  •  💕লা ইলাহা ইল্লালাহ। আল্লাহ ছাড়া কোন মাবুদ নাই। আমরা একমাত্র তারই কাছে সাহায্য প্রার্থনা করি। 
  • জাতিসংঘ যদি কাশ্মীরের পাশে নাও থাকে, পাকিস্তান মজলুম কাশ্মীরের ভাগ্য জালেম মোদির হাতে ছেড়ে দিবে না।।। 😠পারমাণবিক শক্তিধর দুই রাষ্ট্রের যুদ্ধ হলে পৃথিবীর কেউই নিরাপদ নয়। জাতিসংঘের আর প্রয়োজন নাই, যেহেতু ৭৪ বছরে জাতিসংঘ তামাশা দেখেছে মুসলমান হত্যাযজ্ঞের।।।। 

Wednesday, April 17, 2019

সেদিন ভালবাসা দিয়ে কিনতে চাইলাম কিন্তু অর্থের অভাবে কিনতে পারলাম না ,আজ অর্থ আছে , শুধু ভালোবাসাটাই নেই ...
#অবাক_করা_দুনিয়া_মাইরি

Saturday, March 2, 2019

পুরাতন বৎসরের জীর্ণক্লান্ত রাত্রি 
                        রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর---বলাকা
                     (কলিকাতা, ৯ বৈশাখ, ১৩২৩)

পুরাতন বৎসরের জীর্ণক্লান্ত রাত্রি
          ওই কেটে গেল; ওরে যাত্রী।
     তোমার পথের 'পরে তপ্ত রৌদ্র এনেছে আহ্বান
              রুদ্রের ভৈরব গান।
                  দূর হতে দূরে
          বাজে পথ শীর্ণ তীব্র দীর্ঘতান সুরে,
                  যেন পথহারা
              কোন্‌ বৈরাগীর একতারা।
              ওরে যাত্রী,

     ধূসর পথের ধুলা সেই তোর ধাত্রী;
চলার অঞ্চলে তোরে ঘূর্ণাপাকে বক্ষেতে আবরি
         ধরার বন্ধন হতে নিয়ে যাক হরি
              দিগন্তের পারে দিগন্তরে।
     ঘরের মঙ্গলশঙ্খ নহে তোর তরে,
          নহে রে সন্ধ্যার দীপালোক,
          নহে প্রেয়সীর অশ্রু-চোখ।
পথে পথে অপেক্ষিছে কালবৈশাখীর আশীর্বাদ,
          শ্রাবণরাত্রির বজ্রনাদ।
     পথে পথে কন্টকের অভ্যর্থনা,
     পথে পথে গুপ্তসর্প গুপ্তসর্প গূঢ়ফণা।
          নিন্দা দিবে জয়শঙ্খনাদ
          এই তোর রুদ্রের প্রসাদ।

     ক্ষতি এনে দিবে পদে অমূল্য অদৃশ্য উপহার।
          চেয়েছিলি অমৃতের অধিকার--
     সে তো নহে সুখ, ওরে, সে নহে বিশ্রাম,
          নহে শান্তি, নহে সে আরাম।
          মৃত্যু তোরে দিবে হানা,
          দ্বারে দ্বারে পাবি মানা,
     এই তোর নব বৎসরের আশীর্বাদ,
          এই তোর রুদ্রের প্রসাদ
          ভয় নাই, ভয় নাই, যাত্রী।
     ঘরছাড়া দিকহারা অলক্ষ্মী তোমার বরদাত্রী।

     পুরাতন বৎসরের জীর্ণক্লান্ত রাত্রি
          ওই কেটে গেল, ওরে যাত্রী।
              এসেছে নিষ্ঠুর,
          হোক রে দ্বারের বন্ধ দূর,
          হোক রে মদের পাত্র চুর।
     নাই বুঝি, নাই চিনি, নাই তারে জানি,
          ধরো তার পাণি;
     ধ্বনিয়া উঠুক তব হৃৎকম্পনে তার দীপ্ত বাণী।
          ওরে যাত্রী
     গেছে কেটে, যাক কেটে পুরাতন রাত্রি।










Sunday, December 2, 2018

Sleep or die early (Don’t run after him who tries to avoid you..!)

■ Two-thirds of adults in developed nations fail to obtain the nightly eight hours of sleep recommended by the World Health Organisation.

■ An adult sleeping only 6.75 hours a night would be predicted to live only to their early 60s without medical intervention.


■ A 2013 study reported that men who slept too little had a sperm count 29% lower than those who regularly get a full and restful night’s sleep.

■ If you drive a car when you have had less than five hours’ sleep, you are 4.3 times more likely to be involved in a crash. If you drive having had four hours, you are 11.5 times more likely to be involved in an accident.

■ A hot bath aids sleep not because it makes you warm, but because your dilated blood vessels radiate inner heat, and your core body temperature drops. To successfully initiate sleep, your core temperature needs to drop about 1C.

■ The time taken to reach physical exhaustion by athletes who obtain anything less than eight hours of sleep, and especially less than six hours, drops by 10-30%.

■ There are now more than 100 diagnosed sleep disorders,of which insomnia is the most common.

​
■ Morning types, who prefer to awake at or around dawn, make up about 40% of the population. Evening types, who prefer to go to bed late and wake up late, account for about 30%. The remaining 30% lie somewhere in between.

Thursday, October 4, 2018

ভালবাসা

-ব্রেকআপ!!! চিৎকার করে উঠল দিয়া!
-মানে?
-মানে বুঝ না?মানে হল তোমার আর আমার রিলেশনের এখানেই শেষ!বাই বাই!
-আচ্ছা|
-আচ্ছা মানে?তুমি কিছু বলবা না?
-আচ্ছা আজকে কি আমরা শোক পালন করব?না মানে যেমন ধর…প্রতিদিন আমরা আইসক্রিম,ঝালমুড়ি,ফুচ-কা খাই..আজকে বরং তা না করে সিগারেট খাই!
-তুমি আমাকে সিগারেট খাওয়াবা!!!
-না মানে…কষ্ট ভুলতে তো মানুষ তা-ই করে!
-তোমার কি মনে হয় আমার কষ্ট লাগবে?মোটেও না!
-ও
রাগে হাতের ব্যাগটা আছাড় মারল দিয়া!
-তুমি একটা ছাগল আর একটা ছাগলের সাথে কোনো মানুষের সম্পর্ক থাকতে পারে না!
কথাটা বলেই বাসার দিকে হাঁটতে লাগল দিয়া|দিয়ার ফেলে যাওয়া ব্যাগটা হাতে নিল আকাশ|ভিতরে একটা মোবাইল আর কিছু টাকা আছে|আকাশ একবার ভাবল দিয়াকে ব্যাগের জন্য ডাক দিবে|কিন্ত পরক্ষণেই চিন্তাটা বাদ দিল|ব্যাগটা হাতে নিয়েই হাঁটা শুরু করল ও|দুটো বাচ্চা মেয়ে রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে দড়িলাফ খেলছিল|ওর হাতে মেয়েদের ব্যাগ দেখে খিলখিল করে হেসে উঠল মেয়ে দুটো|ওদের হাসি দেখে আকাশও হেসে দেয়|তবে এবার আর মেয়ে দুটো হাসে না|হয়ত ওকে পাগল ভাবছে!
-হ্যালো,তুমি আমার মোবাইলসহ ব্যাগ চুরি করলা কেন?
-না,না আমি তা করিনি!তুমি ই তো ব্যাগটা ফেলে আসলে|
-একদম মুখের ওপর কথা বলবা না!কালকে আমার ব্যাগ নিয়ে সোজা ক্যাম্পাসে চলে আসবা|বাই!
ফোনটা কেটে দিল দিয়া!কাঁদছে ও!দুটো কারণে ব্যাগটা ও ইচ্ছে করেই ফেলে এসেছে!প্রথমত,এই ব্যাগের অজুহাতে আবার আকাশের সাথে দেখা করা যাবে!আর দ্বিতীয়ত,আজ-ই আকাশের মেসের ভাড়া দেয়ার শেষ দিন|তাই ব্যাগের টাকাটা রেখে এসেছে যাতে বাধ্য হয়ে ওর টাকাটা দিয়ে মেসের ভাড়াটা মিটাতে পারে আকাশ!এমনিতে সরাসরি দিলে আকাশ তা কোনোদিনই নিত না!তাই বাধ্য হয়েই ঝগড়াটা সৃষ্টি করছিল ও!
আধঘন্টা ধরে বসে আছে দিয়া|কিন্ত আকাশের আসার কোনো নাম নেই!যাওয়ার জন্য উঠে দাঁড়াতেই দৌড়াতে দৌড়াতে সামনে এসে দাঁড়ায় আকাশ!
-সরি!এই নাও তোমার ব্যাগ!আর একটা কথা বলব?
-কি?
-আমি তোমার টাকাগুলো খরচ করে ফেলেছি!
দিয়ার মুখে একটা প্রশান্তির হাসি ফুটে উঠল!কিন্ত মুখে বলল,
-ফাও কথা বলবা না!ব্যাগে কোনো টাকা ছিল না!
-না,না,সত্যি ছিল!তোমার ওই টাকা দিয়েই তো জব্বার চাচাকে একটা কম্বল কিনে দিয়েছি!সরি!প্লিজ কিছু মনে কর না!আসলে হাতে কোনো টাকা ছিল না তাই!তবে এ মাসের টিউশিনির টাকাটা পেলেই দিয়ে দিব!তুমি তো চাচার কথা সবই জানো!তাই
আর কি ..সরি!
ঠোঁট চেপে কান্না আটকে রেখেছে দিয়া!যে মানুষটা নিজেই ঠিকমত চলতে পারে না,যার নিজেরই একটা ভালো শীতের জামা নেই,যে নিজেই সারা বছর কষ্ট করে কাটায়, সেই মানুষটাই কিনা আরেকজনকে সাহায্য করে তার জন্য আমার মাফ চাইছে!কোনোমতে সামলে উঠে বলল ও,
-তোমাকে মেস থেকে বের করে দেইনি??
-না!আরো দুইদিন সময় দিয়েছে|
-বের করে দিলে খুশি হতাম!
-আচ্ছা আজ থেকে কি তোমার ফোন রিসিভ করব?না মানে তুমি ই তো কাল বললে…
-হ্যা আজকে থেকে তুমি আর আমার ফোন রিসিভ করবা না!কিন্ত ফোন ঠিকই দিবা!না দিলে চড় দিয়ে আক্কেল দাঁতসহ সবগুলো দাঁত ফালায়া দিব!
এবার আর কান্না আটকে রাখতে পারল না মেয়েটা!অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল আকাশ!আর দশটা সাধারণ গল্পের ছেলেগুলোর মত আকাশও বুঝতে পারছে না মেয়েটা কেন কাঁদছে!শুধু মনে মনে বলছে-“আবার কি করলাম!”

Tuesday, September 25, 2018

রাতের পরী | ভালবাসা

রাতের পরীরা কিভাবে উড়লো, কিভাবে নিষিদ্ধ গলিতে এলো, কেও ভাবেনা। জৈবিক চাহিদা, নিষ্ঠুর বাস্তবতা কিংবা হায়ানাদের ধারালো দাবানলে ওরা ক্ষত বিক্ষত! ওদের অসহায়ত্ব কেউ দেখেনা। বন্দী পাখির মত ওরা ছটফট করে মরে। আমরা ওদের ডানা ভেঙে, খাঁচায় আঁটকে রাখি।

শুকুনীর দল মাতে উল্লাসে। ওরা পিপাসা মিটাতে ব্যস্ত । ওরা রাতের পরীদের কোলে বীজ বপন করে! জুটা আবর্জনা ডালে, আবার ওরাই ওদের “নষ্ট ” খেতাব দেয়।
চারিদিকে ধর্মের বাতাস। চারিদিকে মানবতার হুংকার। মহান ব্যক্তিদের বিশাল বিশাল বানী। ওদের বল,নেবে কি কোনো রাতের পরী কে তোমার ভালবাসার আঙিনায়??? ওরা মুখ ফিরিয়ে নেবে। আহ! মানব স্বত্বা!!! আমি লজ্জিত এমন একটি সমাজের বাসিন্দা আমি, যেখানে রাতের আঁধারে নষ্ট পল্লীতে যাতায়াত বৈধ, নষ্ট পল্লীর কষ্ট গুলো কে হাত দিয়ে ছুঁয়ে যাওয়া অবৈধ!!!

আমি তাদের কথা বলছিনা, যারা শখের বশে রাতের পরী সাঝে। আমি তাদের কথা বলছি,যারা বাস্তবতার কঠিন উত্তাপের স্বীকার, যারা অনাহাড়ে প্রান বাঁচাতে মরিয়া হয়ে উঠে, যাদের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে, সুশীল সমাজের ভদ্র বেশী শকুন গুলো তাদের কে খুঁবলে খায়, তাদের কে রক্তাক্ত করে নষ্ট পল্লীতে মোহর মেরে, ছুঁড়ে ফেলে আসে।
রাতের আঁধারে নষ্ট পল্লীর কষ্ট গুলো নিয়ে আমরা খেলা করি। দিনের আলোতে তাদের ভালবেসে সমাজের একটা কলংকময় অধ্যায়ের অবসান ঘটাতে আমাদের জাত যায়, আমাদের ধর্ম যায়!! ওদের নষ্ট দেহে ভাঁজে ভাঁজে লাভার উৎপাত ঘটিয়ে প্রশান্তির হাসি ফুটে আমাদের মুখে! ওদের দেহে রচিত গদ্যের পাতায় পাতায় শুঁকিয়ে যাওয়া কষ্ট গুলো ছুঁতে ঘেন্না হয়! বাহ! চমৎকার! আমরা পারিও বটে!!

Monday, June 11, 2018

ভালবাসি তোমায় | ভালবাসা

আজ প্রতিটি ক্ষণ হৃদয়ে যে পরম সত্য অনুভব করলাম- আমি শুধুই তোমার। সে শেষ ঠিকানা আমি পেলাম। কখনই তা মিথ্যা হতে দিওনা, কখনই ছেড়না আর। আজ আমার ভীষণ সুখী হাত দু’টো, আর দৃষ্টি ঘুরিও না ঐ অদ্ভুত সুন্দর চোখজোড়ার, সেখানে অপলক তাকিয়ে বৃষ্টির সাথে আমিও আনন্দ হয়ে ঝরেছিলাম!
তোমাকে ভালবাসি প্রচণ্ড- এরচেয়ে কোনও সত্য আপাতত আর জানিনা!!
ভালবাসি তোমায়!
আজ শেষ বিকেলের পাহাড় ছুঁয়ে ছুটে আসা দমকা হাওয়ার জড়িয়ে দেয়া মেঘের মতো ছোট্ট একটি ঘটনা আমার সব দ্বিধাকে উড়িয়ে নিয়ে গেলো! বুঝলাম, মহাকাল যে হাস্যকর ক্ষুদ্র সময়কে “জীবন” বলে আমাকে দান করেছে। সেই জীবনে তুমি-ই আমার একমাত্র মানুষটি, যার পাঁচটি আঙ্গুলের শরণার্থী আমার পাঁচটি আঙ্গুল, যার বুকের পাঁজরে লেগে থাকা ঘামের গন্ধ আমার ঘ্রাণশক্তির একমাত্র গন্তব্য। যার এলোমেলো চুলে আমি-ই হারিয়ে যাবো। আর আমি হারিয়ে যাবো ভালবাসতে বাসতে!!!

Monday, April 2, 2018

নিরাপত্তা | ভালবাসা

বিড়ালের সামনে মাছ রেখে তারপর বলে-এই বিড়াল মাছ কিন্তু খাবি না !!
তার মানে মেয়েরা (__?__) Open করে হাটবে আর ছেলেদের বলবে দেখবি না।
শেয়ালে ভরা জঙ্গলে মুরগি কে ছেড়ে দিয়ে যদি বলে শেয়াল মুরগি না খেয়ে নিজের মানসিকতা বদলাতে !!
সেটা কি আদৌ সম্ভব ?? কখনো সম্ভব না। কারণ শেয়ালকে বানানো হয়েছে মুরগির প্রতি দূর্বলতা দিয়ে। ঠিক মানুষের উত্তেজনা টা কেও বানানো হয়েছে বিপরীত লিঙ্গের বিশেষ কিছু অঙ্গের প্রতি দূর্বতলতা রেখে।
এখন আপনি যদি মানুষের সেই সব বিশেষ অঙ্গ রাস্তায় দেখিয়ে বেড়ান আর বলেন যে আপনার উত্তেজনা জেগে উঠতে পারবে না,নিজের মানসিকতা বদলান।
সেটা কি সম্ভব ??
কখনো না !!
কেনোনা মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছেই এমন ভাবে। আর মানুষের বিশেষ অঙ্গ গুলা দেখলেই উত্তেজনা জেগে উঠবে বলেই তো বলা হয়েছে মানুষ কাপড় পড়তে আর পর্দা
করতে। কিন্তু আপনি সেটা না করে রাস্তায় খোলা মেলা চলবেন আর বলবেন আপনার মানসিকতা বদলান !!
এটা পাগলের প্রলাপ ছাড়া কিছুই না।
জৈনক মানবতাবাদীরা বলে থাকে নারীকে ভোগ্য পণ্য ভাবিয়েন না !! আপনারা মানসিকতা বদলান। মেয়েদের মেয়ে নয়, মানুষ ভাবুন।
এগুলা শুনলে আমার চরম হাসি পাই।আমি বলি নারী দামী জিনিস। তাদের ইজ্জত অমূল্য। আর এ দামী ও অমূল্য জিনিসটা কে চোরের হাত থেকে বাঁচাতে দরকার পর্যাপ্ত
নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আর সে নিরাপত্তা
নিশ্চিত করে পর্দা।
গরুর হাটে গিয়ে গরুর লাথি খেয়ে যেমন
প্রতিবাদ করার থাকেনা !! একগাদা উশৃঙ্খল পুরুষের মাঝখানে গিয়ে শ্লীলতাহানির পরেও তেমনি কোনো নারীর প্রতিবাদ করা চলেনা।
মনে রাখবেন, পর্দা মানেই পরাধীনতা নয়।
পর্দা মানে নিরাপত্তা।

আমার পিচ্চি পাগলী | ভালবাসা

আমি চাইনি বলেই কি দাওনি,নাকি আমার হাজার চাওয়ার মানেই বুঝোনি?
আর কয়দিন তারপর আমরা দুজনে ভিন্ন ভিন্ন গ্রহের মানব!!
সময় করে পড়ে নিও কি লেখা ছিল শেষ চিঠিতে!!  সেদিন আর আমি নই অন্যকেউ থাকবে তোমার পাশে।
আমিতো আবেগ দিয়েই শুরু করেছিলাম ভালবাসা দিয়ে শেষ করবো বলে!! নিয়তিও যেন আমার সাথে উপহাস করলো তাইতো আবেগ দিয়েই শেষটা হলো...
ভেবেছিলাম নতুন বছর টা নতুন জীবন দিয়ে শুরু হবে, সেদিন আবারো ভালবাসার কথা হবে নতুন করে কিন্তু এটাতো ভাবিনি তোমার আমার জীবনের সমাপ্তি দিয়েই শুরু হবে তোমার আমার নতুন জীবন...
সব লেখা যখন তোমাকে ঘিরেই শেষ লেখাটা তাহলে সেদিনেই লিখবো...
ভুলে যেওনা চুক্তি অনুসারে "এখনো তুমি আমার পিচ্চি পাগলী "

Thursday, February 15, 2018

বিনিময়.. | ভালবাসা

একটা সময় খুব ইচ্ছে ছিল গীটার বাজানো শিখবো, কিন্তু আজও হয়ে ওঠে নি।কত মানুষ বলেছিল আমার গীটারের শব্দের সাথে গান গাইবে,আজ তারা সবাই সুখের গান গায় অন্যকারো সাথে,অন্যকারো সংসারে..😊
ভেবেছিলাম, একটা মানুষ এর সাথেই সারাজীবন থাকবো,সেটাও হয়ে ওঠে নি,সেও হঠাৎ না বলেই হারিয়ে গেছে কিন্তু তাকে কোন দোষ দেওয়াটা ঠিক হবে না,শুধু বলবো নিয়তি আমাদের সাথে খেলেছে বা ভাগ্য আমাদের সাথে ছিল না!!
মাঝেমাঝে কিছু মানুষ আসে,প্রয়োজন শেষ হলে চলেও যায়,ধরে রাখার Try করিনি কোনদিন।
ভেবেছিলাম এবার হয়তো একটা মানুষ আমাকে বুঝবে, তাও হল না!!এই প্রথম কোন একটা মানুষ এর জন্য এতটা কষ্টে ভরে গেছে জীবনটা,হয়তো সেও চলে গেছে অন্যকোন গন্তব্যে বা যাবে!!
হয়তো আমিও ভুলে যাব অনেক কিছুই,অন্যকেউ আসবে আবার হাতটা ধরার জন্য,তারপর সেও চলে যাবে!!
এই হাত দুটি দিয়েই কত মানুষকে তার গন্তব্যে পৌছে দিয়েছি,কিন্তু তার বিনিময় কি নিয়েছি তাদের কাছে আজও আমার জানা নেই!! যদি নিজে ফায়দা লুটতে চাইতাম,তাহলে অনেক সুন্দর মানুষ আমার ভোগের বস্তু হতো।শুধুমাত্র মানুষ বলেই অন্য মানুষগুলোকে ভোগের বস্তুতে রূপান্তর করিনি,কারন revenge কথার সাথে আমি পরিচিত নই বা এই কথার কোন value আমার জীবনে নেই!!
আজ অবধি কোন মানুষ হাতের ময়লা গুলোকে ঝেড়ে দিয়ে হাতটা ধরে রাখতে চায়নি,সবাই ময়লার দোহাই দিয়ে শুধু হাত ছেড়ে দেবার ধান্ধাটাই খুঁজতো!!
হাসতে ইচ্ছে করছে ভীষণ কিন্তু হাসতে হাসতে যদি চোখে পানি আসে তাই হাসতে পারছি না!!
এতদিন অনেকের স্বপ্ন পূরনের মাধ্যম ছিলাম আমি,আর আজ আমি নিজেই আমার স্বপ্ন ভাঙ্গার কারন হলাম।একটাই ছিল স্বপ্ন, শুধু ভালো থাকা সেটাও আজ মরীচিকায় পরিণত হল.....

ডায়েরীর শেষ পাতাটা রাখা আছে তোর জন্য | ভালবাসা

কিছু মনে রাখতে হলে ডায়েরীর পাতায় লিখে রাখাটা কতটা জরুরী আজ অবধি জানা হয়নি।ডায়েরী লিখার অভ্যাস নেই বললেই চলে,হাতের লেখা ভালো না বলেই হয়তো লেখা হয়নি এতদিন,আর হাতের লেখা ভালো করার কোন তাড়াও নেই এখন।
তবে এতটুকু বুঝেছি,তোকে , তোর স্মৃতিগুলো,তোর পায়ের প্রতিটা চিহ্ন, তোর ঠোঁটের হাসি মনে রাখার জন্য কোন ডায়েরীর প্রয়োজনীয়তা নেই আমার।
তারপরো আমার স্বপ্নগুলোর বাস্তবিক রূপ দেওয়ার কোন ইচ্ছে নেই।বাস্তবিক রূপ দিতে গেলেই হারানোর সম্ভাবনা থেকেই যায়।আর তোকে হারাতে হবে এটা ভাবতেই খুব কষ্ট হয়!! তুই যদি কোনদিন হারিয়ে যাস,তবে মনে রাখিস সেদিন থেকেই চিরতরে হারয়ে যাবে একটা সাজানো স্বপ্নের বাগান।বাগানে ফুল ছিল একটাই কিন্তু সুবাস ছাড়াতো  হাজারও ফুলের সুগন্ধে।
তাই নিজের ডাইরীতে নিজের কথা নাই লিখলাম,ডাইরীটা রেখে যাব বাকিটা তুই নাহয় লিখে নিস.....!!
সাজিয়ে লিখবি কিন্তু তোর মনের মত করে, আমার না বলা কথাগুলো....😊😊

অবাধ্য মন | ভালবাসা (LOVE)

অনেক দিন ধরে গড়ে ওঠা স্বপ্নগুলো ভেঙ্গে যাওয়াটা কেউ সহজেই মেনে নিতে চাইবে না,কিন্তু কিছুর করার থাকে না বলেই বাধ্য হয়েই মেনে নিতে হয়!!
"বাধ্য হয়ে মেনে নেওয়া "  কথাটা অনেক সহজ,কিন্তু মেনে নেওয়াটা তেমন  সহজ না। এর জন্য জীবনের অনেক ক্ষতিও হতে পারে। কিন্তু কার কথা কে ভাবে?আমিতো ভালই আছি,বাকিরা কি করছে আমি ভাববো কেন?
আমি বলছি না, আমি ভাল মানুষ, এটাও প্রমান করতে চাইছি না "আমি সবার থেকেই আলাদা"।
এখন বাস্তবতাকে মেনে নিয়ে কিছু কথা বলি,একটা নেশাগ্রস্থ মানুষ তার স্বপ্নগুলোকে আঁকড়ে ধরে বাঁচতে চায়,নেশাটা ছেড়ে একটা ভাল জীবনের স্বপ্ন দেখে,সেই মানুষটার যদি স্বপ্নগুলো ভেঙ্গে  যায় বা কেউ ভেঙ্গে দেয় তাহলে তার মনের অবস্থা কি হতে পারে,কতটা নিচে নামতে পারে এই মানুষটা? এটাতো আমার  ভাবার প্রয়োজন নেই,কারন আমিতো ভালই আছি!
একটা মানুষ কি আমার কাছে,সেটা না জেনেই তার সাথে মেশার প্রয়োজনীয়তা কতটুকু? আমি ভাল আছি ভেবেই কি প্রয়োজনীয়তা খোঁজা হয়  না থাহলে? আমি বারবার প্রশ্নগুলোর উত্তর অন্যদের দিকে দিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছি,কারন আমি জানি উত্তরগুলো আমার বিপরীতে চলে যাবে তাই।
নিজেকে সৎ,ভাল প্রমান করতে চাইলেই প্রমান করা যায় না।কয়টা ভাল কাজ করেই ভাল মানুষ হওয়া যায় না,ভাল মানুষ হতে হলে ভাল মনের দরকার হয়।মানুষ মুখে যা বলে তার সবটাই ঠিক না,মানুষ এর সাথে মিশলেই কি বুঝা যায় মানুষটা খারাপ কি না ভাল?
একটা মেয়ে যখন দেহ ব্যবসা করে তার মানেই কি মেয়েটা খারাপ?এমনোতো হতে পারে তার এই অবস্থার জন্য আমার মতই কেউ দায়ী!!হতে পারে, সে তার পরিবার,তার পেটের দায়ে এই রাস্তায় এসেছে?এর মানে এটাও না যে সবাই ভাল!!প্রত্যেক মানুষের মাঝেই ভাল খারাপ থাকে,কেউ একটু বেশি ভাল,কেউ একটু বেশি খারাপ!! এর কারন হলো,মানুষ পারফেক্ট হয়ে জন্ম নেয় না।
আমরা আজ যেটাকে পারফেক্ট ভাবছি,সেটা হল এই যুগের আপডেট ভার্সন! কিছু দিন পরপর যেটাকে আপডেট দিতে হয়!!
ভুলে গেলে কি করে হবে,আমরা একসময় কাপড় পরতাম না,গাছের পাতা, বাকল ছেড়েছি, মেয়েরা তাদের কাপড় ছেড়ে দিয়ে নিজেদের পারফেক্ট করার জন্য কি না করছে(সবাই না)।তবে কি ধরে নেব আমার বাবা পারফেক্ট ছিল না!!

জীবনটা আমার,স্বপ্নগুলো  আমার,
আর স্বপ্নগুলোর যখন বাস্তবিক রুপ আমি দিতে পারবো,তখনি নিজেকে পারফেক্ট মনে হবে,এটা প্রমান করার কিছুই নেই।

Tuesday, February 13, 2018

ব্যবধান | ভালবাসা (LOVE)

একা একা বসে যখন রাতগুলো কাটতে চায় না নীরবের তখন কেমন জানি একটা যন্ত্রণা অনুভব হতো তার কিন্তু যখন তার মনে হতো কেউ একজন তার জন্য অপেক্ষায় আছে তখন একটা অফুরন্ত ভালোলাগা কাজ করতো নীরবের।
আজ অনেকটা দিন পার হয়ে গেছে কিন্তু দুজনের কোন দেখা নেই,কথা নেই তারপরো দুজন দুজনকে যেন আগের চেয়ে দ্বিগুণ ভালবাসে।কিন্তু তারা জানে না আবেগী ভালবাসার মূল্য এই সমাজ দিতে রাজি নয়।
একটা সময়ে প্রতিমা হাসতো, খেলতো আর পাখি হয়ে উড়তে চাইতো আকাশে। নীরব সেই পাখির ডানা হয়ে থাকার কতই না চেষ্টা করতো।
এইতো কিছুদিন আগের কথা,প্রতিমা খোলা মাঠে যখন একপ্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটাছুটি করতো নীরব তখন ভালাসার মাঝে তার ভালোলাগা গুলো খুঁজতে থাকতো।অজান্তে ভালবাসর মাঝেও আর বেশি ভালবাসতো প্রতিমাকে। কিন্তু এখন আর তাদের সময় হয় না,পাশাপাশি থেকে ভালবাসার।কতকিছুই আজ বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে তাদের মাঝে,নিয়তি লেখকে যেন আজ বড়ই পাষণ্ড মনে হয় আর সময়কে যেন মনে হয় বাঁধার স্তম্ভ। কিন্তু নীরবের সাথে প্রতিমার ব্যবধান এতটুকুই...
প্রতিমা শহরের অট্টালিকায় জন্মানো ধনীর আদরের দুলালী,
আর নীরব কৃষকের কুঠিরে জন্মানো এক কৃষক পুত্র।
একটা সময় ছিল, পাখিদের মত দিন শেষে সন্ধ্যায় ঘরে ফেরার তাড়া ছিল তাদের,আর এখন সন্ধ্যা মানে একটা সূর্য অস্ত মাত্র।
আজ একা হেঁটে চলেছে নীরব আর ভাবছে, রাস্তাগুলো আছে আগের মতই সাথে নিয়ে আলোগুলোকে।আছে আস্ত শহরটা,তবু শহরের কোথাও একটা বিশাল ফাঁক। এটাকেই কি শূন্যতা বলে? না এটা একলা থাকার ফল?
কিন্তু নীরব হয়তো জানে না,এই শহরটা বাঁচে সাথে আলোগুলো। শুধু নীরবদের বাঁচাটা আবছা হয়ে যায়। ওই বড় চোখদুটো আর বোকা বোকা হাসি মাখা মুখটার মতই।
আবছা হয় আস্তে আস্তে,কিন্তু চলে যায় না। ফিরে আসে প্রতিবার। একই রাতে,একই পথে।
শুধু কিছু একলা মানুষ বেঁচে থাকে ''সম্ভব নয়'' শোনার জন্য সারাজীবন।

Thursday, January 11, 2018

শুধু গল্প না,বাস্তবতার মুখ দেখুক প্রিয়তিরা.... | ভালবাসা (LOVE)



তুমি নিজের প্রতি এতো উদাসীন কেন?

কেন এভাবে নিজকে নিঃশেষ করে দিচ্ছো!?
জীবনের প্রতি তোমার এতো অনীহা কেন?
--এসব প্রশ্নের উত্তর দেয়ার পূর্বে তোমাকে একটা প্রশ্ন করি!
বলতে পারো "কতোটুকু বেদনার বিষ গিললে!আমার শরীরটা কাতর হবে!?
--তুমি এভাবে কেন কথা বলো?তোমার প্রিয়তির খুব কষ্ট হয়!
আজ থেকে তোমার এই জীবন,শরীর,আত্না আর পঁচে যাওয়া হৃদয়টা প্রিয়তির!
প্রিয়তি আসার আগ পর্যন্ত তুমি তার এই জিনিসগুলোকে যত্নে রাখবা!
তা নাহলে, প্রিয়তি খুব কষ্ট পাবে।
--হুম,দেখে রাখবো।তবে যত্নে রাখার নিশ্চয়তা টা দিতে পারছি না।প্রিয়তি এসেই না হয় যত্নে রাখবে!
তার প্রিয়'কে।
.
.
.
.
বৃষ্টিস্নাত ভেজা সন্ধ্যায় কথাগুলো সাজ্জাদ আর প্রিয়তির মাঝে হচ্ছিলো।
আসলে,তাদের সম্পর্কটা অন্য সব সম্পর্কের মত না।তাদের মাঝে কোন রাগ,অভিমান কিংবা বিন্দুুমাত্র ঝগড়ারও স্থান নেই।
শুধু আছে হারিয়ে যাবার বিশাল শঙ্কা!
না পাওয়ার জন্য হাহাকার করার মত দু'টি বিশাল হৃদয়।
এই মূহুর্তে তারা পাশাপাশি বসে আছে,কিন্তু কেউ কোন কথা বলছে না।হয়তো তারা একে অপরের হৃদয় দিয়ে কথাগুলো উপলব্ধি করছে।প্রকৃতিটাও আজ খুব সুন্দর।যেন তাদের জন্যই প্রকৃতি সেজেছে নতুন ভাবে। বৃষ্টিভেজা বাতাসে প্রিয়তির চুলগুলো অবাধ্যের মত তার মুখে আঁছড়ে পরছে।দৃশ্যটা সাজ্জাদ মাঝে মাঝে আড়চোখে তাকিয়ে দেখছে।ভালোই লাগছে তার কাছে।তবুও কিছু বলছে না।নিরবতাটাকে উপভোগ করছে।আসলে,প্রিয় মানুষটা পাশে থাকলে পৃথিবীর সব বিষাদও উপভোগের!
প্রিয়তি একদিন বলেছিলো,
প্রিয়!!!
হৃদয়ের জানলাটা খুলা রেখো,কথা বলবো সব সময়!
আসলে কিছু কিছু সময় আপন মানুষদের সাথে কথা না বললেও, পিনপতন নিরবতা মনের কথাগুলো বুঝিয়ে দেয়।বুঝিয়ে ভালবাসার গভীরতা কতখানি!
নিরবতা ভেঙে সাজ্জাদ-ই প্রথম কথা শুরু করলো,
--আচ্ছা!
আমার মিষ্টি করে বলা "প্রিয়তি " ডাকটা যখন তুমি শুনো!
তখন তোমার কেমন ফীল হয়!!?
--কেমন ফীল হয়!
তা বলে বুঝাতে পারবো না।তবে,অজানা আনন্দ আর শিহরণে আলোড়িত হয় কোমল মনটা কিন্তু.......
---কিন্তু?কিন্তু কি প্রিয়তি!!!?
--কিন্তু পরক্ষণেই তোমাকে হারাবার ভয় এসে বিষিয়ে তুলে ভিতরটাকে!
আচ্ছা!"প্রিয়,
তুমি কি আমার ভিতরের কম্পনটা অনুভব করতে পারো?
তোমার জন্য আমার হৃদয়ের হাহাকারটা কি তুমি বুঝো!?
কোন উত্তর নেই এসব প্রশ্নের, এই মুহুর্তে রি সাজ্জাদের কাছে।
উত্তরের অপেক্ষা না করেই,প্রিয়তি আবার বলতে লাগলো....
---যদি কোন দিন এই শরীরটা তুমি না-ও পাও!
তবে,জেনে রেখো!
মনটা সারাজীবনের জন্যই তোমার। চিরদিনের জন্য এই মনের মালিকানা আমি তোমাকে দিয়েছি।যা তোমার প্রিয়তি তোমার কাছ থেকে কখনও কেড়ে নেবে না।
হয়তো কোন সময় বাহ্যিকভাবে তোমার সাথে কথা বলতে পারবো না,কিন্তু মনটা ঠিকই তোমার সাথে কথা বলবে।তুমি চোখ বুজে তা অনুভব করো!
আমি তোমাকে অনেক ভালবাসি প্রিয়!!!
----আমিও যে, তোমাকে অনেক ভালোবাসি প্রিয়তি!
তোমাকে হারাবার ভয় আমাকে সব-সময় ভীত রাখে।তুমি আমাকে ছেড়ে যাবে না তো!
তোমার প্রিয়'কে ছেড়ে তুমি থাকতে পারবা প্রিয়তি!?
.
.
.
.
এমন সব আকুলতা নিয়ে কথা বলে দু'টি পবিত্র হৃদয়।সারাক্ষণ বেদনাবিদূর সুখে তারা আচ্ছাদিত থাকতে চায়।তবুও, প্রকৃতির নিষ্ঠুর নিয়ম প্রিয়তিদের ভালো থাকতে দেয় না।
আসলে প্রকৃতি কখনও Absolute ভালোটা দেখতে পারে না।হয়তো এটাই প্রকৃতির ঈর্ষা!
তবুও,প্রিয়তিদের ভালোবাসা বেঁচে থাকবে, তাদের পুড়ে যাওয়া পবিত্র হৃদয়টাতে কিংবা ক্ষত-বিক্ষত হৃদয়ের ধ্বংসাবশেষ হয়ে।
আত্নাকে হত্যা করে প্রকৃতির নিষ্ঠুর নিয়মকে মেনে নিবে,পরিবার নামক সংবিধান রক্ষার জন্য...
জীবন্ত লাশ হয়ে বেঁচে থাকবে,এসব প্রিয় আর প্রিয়তিরা।হয়তো তাদের ভালোবাসার গল্পটা,
লাইলী-মজনু,শিরি-ফরহাদ,রোমিও-জুলিয়েট কিংবা চন্ডিদাস-রজকিনীদের মত ইতিহাস হবে না।কিন্তু তাদের চেয়ে বেশি হৃদয় পুড়ার গন্ধ সৃষ্টি হবে।যা, প্রিয়তিরা ছাড়া কেউ এই গন্ধ উপলব্ধি করতে পারবে না।
এই পৃথিবীতে "আত্নহত্যার" পর দেহটাকে পোস্টমর্টেম করা হয়,
খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখা হয় মৃত দেহটাকে।
কিন্তু,এই নশ্বর পৃথিবীতে "আত্না" হত্যার জন্য কোন পোস্টমর্টেম করা হয় না।
দেখা হয় না এসব মৃত আত্নাগুলোকে।
যদিও,আত্নহত্যার চেয়ে আত্না হত্যার পরিমানটাই বেশি।
যদি কোন দিন এসব আত্নাকে পোস্টমর্টেম করার কোন ব্যবস্থা হতো,
তবে,শুধু পাওয়া যেতো,পুড়ে যাওয়া কিংবা রক্তাক্ত একটা হৃদয়!
হয়তো,সাজ্জাদের মত অগোছালো ছেলেদের জীবনটা গুছিয়ে দিতে বাস্তবে কোন প্রিয়তিরা আসবে না,আসতে চাইলেও প্রকৃতির কাছে হেরে যাবে প্রিয়তিরা কিংবা পরিবার নামক সংবিধান লঙ্ঘন করতে পারবে না।
তবুও, ভালো থাকুক!
পৃথিবীর সব প্রিয়তিদের ভালোবাসার গল্প!
শুধু গল্প না,বাস্তবতার মুখ দেখুক প্রিয়তিরা.....
প্রিয়দের সাথে জীবন বিনিময়ের আশ্বাস পেয়ে যাক দুনিয়ার সকল প্রিয়তিরা......



কেউ যদি মঙ্গলের আশায় অমঙ্গলকে আলিঙ্গন করে তাতে দোষের কিছুই নেই ...😊😊